বিশ্ব জুড়ে নতুন উপদ্রব শুরু হয়েছে, যার নাম ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজ়িস্ট্যান্স’। অনিয়ন্ত্রিত ভাবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার ফলে বেশির ভাগ জীবাণুই মাল্টি ড্রাগ রেজ়িস্ট্যান্ট (এমডিআর) হয়ে গিয়েছে। ফলে চেনা ওষুধেও আর কাজ হচ্ছে না তেমন। জ্বর, পেটের সমস্যা বা অ্যালার্জি যে কারণেই অ্যান্টিবায়োটিক খান না কেন, সে রোগ সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে নতুন একধরনের অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সেটি খাওয়ার ওষুধ নয়, ইঞ্জেকশন। দাবি করা হয়েছে, এই ইঞ্জেকশনের এক ডোজ়েই শরীরের যে কোনও জায়গায় বাসা বাঁধা সংক্রামক রোগ নির্মূল হবে।
মনোসেফ ইঞ্জেকশন অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেটের থেকে অনেকটাই আলাদা। ভারতের অ্যারিস্টো ফার্মাসিউটিক্যাল ইঞ্জেকশনটি তৈরি করেছে। এতে রয়েছে সেফট্রিয়াজ়োন নামে এমন এক উপাদান যা ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। এটি কেবল ব্যাক্টেরিয়া নিধনের কাজ করে তা নয়, জীবাণুর বংশবিস্তারের প্রক্রিয়াকেও থামিয়ে দিতে পারে। ফলে রোগ সারার পরে তা ফিরে আসার আশঙ্কা থাকে না।
কোন কোন রোগ সারাবে মোনোসেফ?
ব্যাক্টেরিয়াজনিত যে কোনও সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে মোনোসেফ, দাবি এমনই। গবেষকরা জানিয়েছেন, ফুসফুসের সংক্রমণ, শ্বাসকষ্ট, এমনকি নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করতেও এর ব্যবহার হতে পারে।
মস্তিষ্কের সংক্রমণ, মেনিনজ়াইটিস প্রতিরোধে এই ইঞ্জেকশন দেওয়া যেতে পারে।
রক্তের সংক্রমণ বা সেপ্টিসেমিয়া থেকে বাঁচতে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
মূত্রনালির সংক্রমণ, পেট ও অন্ত্রের সংক্রমণ, টাইফয়েড সারাতেও এটি কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে।
ত্বকের যে কোনও সংক্রমণ প্রতিরোধেও এটি ব্যবহার করা হচ্ছে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, যে কোনও জটিল অস্ত্রোপচারের পরে সংক্রমণ এড়াতে এটি কর্যকর হতে পারে।
কাদের জন্য ভাল ও কাদের জন্য নয়?
শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ থাকলে ও রোগী ট্যাবলেট বা খাওয়ার ওষুধ খেতে না পারলে, এই ইঞ্জেকশন দেওয়া যেতে পারে।
ডায়াবিটিসের কারণে সংক্রমণ বা রক্তের সংক্রমণে ভুগছেন এমন রোগীদের জন্য এটি কার্যকর হতে পারে।
তবে লিভার বা কিডনির জটিল রোগ থাকলে, অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য, সদ্যোজাত শিশুদের জন্য এই অ্যান্টিবায়োটিক ইঞ্জেকশন নিরাপদ নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ইঞ্জেকশনটি নিলে বিপদ হতে পারে।
মনোসেফ ইঞ্জেকশন অ্যান্টিবায়োটিক ট্যাবলেটের থেকে অনেকটাই আলাদা। ভারতের অ্যারিস্টো ফার্মাসিউটিক্যাল ইঞ্জেকশনটি তৈরি করেছে। এতে রয়েছে সেফট্রিয়াজ়োন নামে এমন এক উপাদান যা ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে। এটি কেবল ব্যাক্টেরিয়া নিধনের কাজ করে তা নয়, জীবাণুর বংশবিস্তারের প্রক্রিয়াকেও থামিয়ে দিতে পারে। ফলে রোগ সারার পরে তা ফিরে আসার আশঙ্কা থাকে না।
কোন কোন রোগ সারাবে মোনোসেফ?
ব্যাক্টেরিয়াজনিত যে কোনও সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে মোনোসেফ, দাবি এমনই। গবেষকরা জানিয়েছেন, ফুসফুসের সংক্রমণ, শ্বাসকষ্ট, এমনকি নিউমোনিয়া প্রতিরোধ করতেও এর ব্যবহার হতে পারে।
মস্তিষ্কের সংক্রমণ, মেনিনজ়াইটিস প্রতিরোধে এই ইঞ্জেকশন দেওয়া যেতে পারে।
রক্তের সংক্রমণ বা সেপ্টিসেমিয়া থেকে বাঁচতে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে।
মূত্রনালির সংক্রমণ, পেট ও অন্ত্রের সংক্রমণ, টাইফয়েড সারাতেও এটি কার্যকর বলে দাবি করা হয়েছে।
ত্বকের যে কোনও সংক্রমণ প্রতিরোধেও এটি ব্যবহার করা হচ্ছে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, যে কোনও জটিল অস্ত্রোপচারের পরে সংক্রমণ এড়াতে এটি কর্যকর হতে পারে।
কাদের জন্য ভাল ও কাদের জন্য নয়?
শরীরে মারাত্মক সংক্রমণ থাকলে ও রোগী ট্যাবলেট বা খাওয়ার ওষুধ খেতে না পারলে, এই ইঞ্জেকশন দেওয়া যেতে পারে।
ডায়াবিটিসের কারণে সংক্রমণ বা রক্তের সংক্রমণে ভুগছেন এমন রোগীদের জন্য এটি কার্যকর হতে পারে।
তবে লিভার বা কিডনির জটিল রোগ থাকলে, অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য, সদ্যোজাত শিশুদের জন্য এই অ্যান্টিবায়োটিক ইঞ্জেকশন নিরাপদ নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ইঞ্জেকশনটি নিলে বিপদ হতে পারে।
ফারহানা জেরিন